1. pragrasree.sraman@gmail.com : ভিকখু প্রজ্ঞাশ্রী : ভিকখু প্রজ্ঞাশ্রী
  2. avijitcse12@gmail.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কর্মজ্যোতি জিনানন্দ মহাথের’র অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আগামী ৪ ও ৫মার্চ দ্বাদশ সংঘরাজ ড.ধর্মসেন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন মহামান্য সংঘরাজ ও এক মহাজীবন দ্বাদশ সংঘরাজ ড.ধর্মসেন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শুরু সংঘরাজ ড. ধর্মসেন মহাথেরো : জ্ঞান বাতিঘর, এক মহাজীবন কাব্যের প্রস্থান সংঘরাজ ড. ধর্মসেন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী পটিয়ায় দ্বাদশ সংঘরাজ ড.ধর্মসেন মহাথেরোর অন্তোষ্টিক্রিয়া আগামীকাল শুরু চট্টগ্রাম মহানগর বাংলাদেশ বুডিস্ট গ্রুপ সংগঠনের শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ বুধবার ক্লোজআপ ওয়ানখ্যাত সংগীতশিল্পী নিশিতা বড়ুয়ার বিয়ে পরলোকে বর্ষীয়ান গীটার শিল্পী মানবেন্দ্র বড়ুয়া

শান্তি ও সৌভাগ্যের খোঁজে বুদ্ধের স্মৃতিভূমিতে

প্রতিবেদক
  • সময় সোমবার, ৩০ জুলাই, ২০১৮
  • ৯৮৬ পঠিত

মধ্য প্রদেশ। ভগবান বুদ্ধের করুণাগাথা। পায়ে পায়ে খুঁজে নিন শান্তি ও সৌভাগ্যকে। নতুন রূপে আবিষ্কার করুন সাঁচি স্তূপ আর বিদিশা নগরী।

অশোক কীর্তি:

সাঁচি খ্রিস্টপূর্ব তিন শতকে সম্রাট অশোক নির্মিত বৌদ্ধস্তূপের জন্য প্রসিদ্ধ৷ মৌর্যসম্রাট চন্দ্রগুপ্তের পুত্র বিন্দুসারের মৃত্যুতে পুত্র অশোক ভাইদের হত্যা করে সিংহাসনে বসেন৷ কলিঙ্গ যুদ্ধের হতাহতের দৃশ্য প্রত্যক্ষ করে সম্রাট বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা নেন এই সাঁচিতেই৷ অতঃপর সারা দেশজুড়ে বৌদ্ধধর্ম প্রচারে ব্রতী হন অশোক৷ বৌদ্ধধর্ম প্রচারের জন্য তিনি সারা ভারতে প্রায় ২৬ হাজার স্তূপ নির্মাণ করেন৷ এবং পুত্র মহেন্দ্র ও কন্যা সংঘমিত্রাকে সুদূর লঙ্কায় পাঠান বৌদ্ধধর্মের বাণী প্রচারে৷ অশোকের এই বৌদ্ধধর্ম প্রচারের অন্যতম কেন্দ্র সাঁচি। দীর্ঘকাল অজ্ঞাত থাকার পর সাঁচিকে নতুন করে আবিষ্কার করে ১৮৮১-তে ব্রিটিশরা৷
সাঁচির স্তূপ:

সাঁচির মূল আকর্ষণ শান্ত পরিবেশে পাহাড়ের মাথায় তার স্তূপগুলি৷ ১৬.৪ মি উঁচু আর ৩৬.৫ মি ব্যাসবিশিষ্ট গোলার্ধের আকারের প্রথম স্তূপটি মৌর্য সম্রাট অশোকের হাতে শুরু হয়ে শেষ হয় তাঁর উত্তরপুরুষের হাতে৷ অতীতের ইটে গড়া স্তূপের উপর আস্তরণ লাগানো হয়েছে পাথরের৷ চারপাশ রেলিং দিয়ে ঘেরা৷ চারটি প্রবেশ তোরণ চারদিকে৷ তোরণগুলোর কারুকার্য ও স্থাপত্য দেখার মতো৷ জাতক কাহিনি উৎকীর্ণ করা আছে স্তূপের তোরণের গায়ে৷
প্রতীকী পদ্ম:

দক্ষিণদ্বারে আছে বুদ্ধের জন্মের প্রতীকী পদ্ম। পদ্মের উপর মায়াদেবী দাঁড়িয়ে৷ মস্তকে জল সিঞ্চন করছে দু’পাশের দুই হাতি৷ অদূরে ভগ্নাবস্থায় ১২.৮ মি উঁচু ১০ নম্বর অশোকস্তম্ভ, যার উপরে ছিল সিংহ মূর্তি৷ এমনই সিংহ মূর্তি রয়েছে সারনাথেও যা ভারত রাষ্ট্রের প্রতীক৷ উত্তরদ্বারে রয়েছে আম্র বৃক্ষতলে বুদ্ধের ধর্ম-বক্তৃতার ভাস্কর্য৷ তাঁর পা থেকে জ্যোতি বেরোচ্ছে৷ ভগ্নাবস্থায় ধর্মচক্রটিও রয়েছে উত্তরদ্বারের শিরে৷
বোধিবৃক্ষ:

এছাড়া সাঁচির নতুন আকর্ষণ সারনাথের আদলে সিংহলের বৌদ্ধ সমাজের গড়া নতুন বিহারে বুদ্ধ শিষ্যের দেহাবশেষ৷ এরই বিপরীতে রয়েছে সিংহল থেকে আনা বোধিবৃক্ষ৷ এছাড়াও রয়েছে অতীতকালের নানা মন্দির, নানা বিহার বৌদ্ধতীর্থ সাঁচিতে৷ আর হয়েছে গুপ্তকাল থেকে চতুর্থ শতকের স্থাপত্যের ও ভাস্কর্যের সংগ্রহ নিয়ে প্রত্নতাত্ত্বিক মিউজিয়াম পাহাড়ের পাদদেশে৷ শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খোলা৷
বিদিশা নগরী:

সাঁচি থেকে বাস বা ট্রেনে বিদিশায় চলুন৷ সাঁচি থেকে ৯ কিমি দূরে বেতোয়া ও বিদিশা নদীর সন্ধিস্থলে বিদিশা নগরী৷ খ্রিঃ পূঃ ৬০০ বছর আগে বাণিজ্যনগরী রূপে প্রসিদ্ধ ছিল বিদিশা৷ অশোক বিয়েও করেন বিদিশার কন্যা দেবীকে৷ রামায়ণে উল্লেখ মেলে বিদিশার কথা৷ রামের ভাই শত্রুঘ্ন যাদবরাজদের কাছ থেকে বিদিশা জয় করে ছেলেকে বসান সিংহাসনে৷ মহাকবি কালিদাসের মেঘদূতেও বিদিশার উল্লেখ মেলে৷ বিদিশাকে ঘিরে ২৭ কিমি জুড়ে সম্রাট অশোকের গড়া ৬৫টি স্তূপ ও পাথরের স্তম্ভ দেখে নেওয়া যায়৷ মিউজিয়ামও হয়েছে রেল স্টেশনের পিছনে সার্কিট হাউসের বিপরীতে৷ আর আছে বিষ্ণুমন্দির রেল স্টেশনের সামনে৷
কী ভাবে যাবেন:
দিল্লি-মুম্বই ও দিল্লি-চেন্নাই রেলপথে ঝাঁসি-ইটারসির মাঝে সাঁচি স্টেশন৷ কিন্তু কলকাতা থেকে কোনও সরাসরি গাড়ি নেই৷ ঐতিহাসিক পর্যটন ক্ষেত্র হওয়া সত্ত্বেও মেল বা এক্সপ্রেস ট্রেন থামে না সাঁচিতে৷ পর্যটকদের সুবিধা হবে ভোপাল থেকে সাঁচি ঘুরে নেওয়া৷ রাজ্যের রাজধানী ভোপাল থেকে ৪৭ কিমি দূরত্ব সাঁচির৷ বাস সংযোগ রয়েছে ভোপাল, ইন্দোর, গোয়ালিয়র ছাড়াও মধ্য প্রদেশের বিভিন্ন শহরের সঙ্গে৷
কোথায় থাকবেন:ভোপালে হোটেলের অভাব নেই। পৌঁছে বেছে নিন পকেটসই ঘর।

শেয়ার দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো
© All rights reserved © 2019 bibartanonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazarbibart251
error: Content is protected !!