1. pragrasree.sraman@gmail.com : ভিকখু প্রজ্ঞাশ্রী : ভিকখু প্রজ্ঞাশ্রী
  2. avijitcse12@gmail.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কর্মজ্যোতি জিনানন্দ মহাথের’র অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আগামী ৪ ও ৫মার্চ দ্বাদশ সংঘরাজ ড.ধর্মসেন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন মহামান্য সংঘরাজ ও এক মহাজীবন দ্বাদশ সংঘরাজ ড.ধর্মসেন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শুরু সংঘরাজ ড. ধর্মসেন মহাথেরো : জ্ঞান বাতিঘর, এক মহাজীবন কাব্যের প্রস্থান সংঘরাজ ড. ধর্মসেন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী পটিয়ায় দ্বাদশ সংঘরাজ ড.ধর্মসেন মহাথেরোর অন্তোষ্টিক্রিয়া আগামীকাল শুরু চট্টগ্রাম মহানগর বাংলাদেশ বুডিস্ট গ্রুপ সংগঠনের শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ বুধবার ক্লোজআপ ওয়ানখ্যাত সংগীতশিল্পী নিশিতা বড়ুয়ার বিয়ে পরলোকে বর্ষীয়ান গীটার শিল্পী মানবেন্দ্র বড়ুয়া

গৌতম বুদ্ধের দেশে…

প্রতিবেদক
  • সময় বুধবার, ১৮ জুলাই, ২০১৮
  • ১৬১০ পঠিত

বিহার যাওয়ার প্লান টা অবশ্য হঠাৎ হয়নি… অফিস এর বন্ধুরা বেশ আগে থেকেই টিকিট-ফিকিট কেটে রেখেছিল ! আমার যে খুব ইচ্ছে করছিল বিহার ঘুরতে যেতে তা নয় । তবে বন্ধুদের এই সঙ্গ টা হারাতে চাই না বলেই আরো না করতে পারলাম না !

যাই হোক, বখতিয়ারপুর রেলওয়ে ষ্টেশন-এ নেমে বিহার এর আসল চেহারা টা দেখতে পেলাম । প্লাটফর্ম ভর্তি বিভিন্ন মানুষের ভির । গরিব, অসুস্থ, দুস্থ – সবার আশ্রয় যেন এই প্লাটফর্ম ! এদের মধ্যে খুব কম জন-ই আসলে যাত্রী । কোনরকমে পাশ কাটিয়ে বাইরে বেরিয়ে আমাদের জন্য ওয়েট করা গাড়িতে বসে রাজগির এর দিকে রওনা দিলাম আমরা ।

রাজগির এর মূল শহর টা পার হয়ে একটু বাইরের দিকেই আমাদের হোটেল – তথাগত বিহার ! এখানে সব কিছুর নামই গৌতম বুদ্ধের বিভিন্ন নামের সঙ্গে জড়িত । কয়েকটা ছোট ছোট পাহাড়ের মাঝখানে হোটেল টা । সরকারি হোটেল, ব্যবস্থা বেশ ভালোই ।

রাজগির এসে টাঙ্গা না চড়ে ফিরে যাব, এ হয় না ! তাই টাঙ্গা করা হল । ঠিক হল এখানকার ‘ফেমাস’ কয়েকটা স্পট ঘুরে দেখাবে ।

প্রথমেই যে যায়গা টায় নিয়ে গেল, সেটা একটা পুরনো মন্দির জাতিয় কিছু, দূরে সবুজ পাহাড়ের মাথায় সামান্ন তুলোর মত মেঘ জমেছে । দেখতে বেশ ভালোই লাগছে..

বোধ গয়া ঃ

পরের দিন আমরা গেলাম বোধ গয়া । আর বোধ গয়া বলতে প্রথমেই যেটা মনে পড়ে সেটা হলো মহাবোধি মন্দির আর বোধি বৃক্ষ ।
দারুন সুন্দর লাগলো আমার এই পীঠস্থান… মাঝখানে বিরাট বুদ্ধের মন্দির , মন্দিরের ঠিক পেছনে আছে সেই বিখ্যাত বোধি বৃক্ষ ! প্রকান্ড সেই বট গাছ, দেখলেই বোঝা যায় কতো প্রাচীন !
মন্দির এর চারপাশে ছোট ছোট বৌদ্ধ বিহার ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে । এখানে অবশ্য নিস্তব্ধতা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া আছে, তার ফলে একটা শান্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে । এখানে ছবি তোলা নিষেধ নেই । তাই আমার সাধের ক্যামেরা হাতে নিয়ে এদিক-অদিক ঘুরতে লাগলাম । যতই দেখছি, ততই অবাক হচ্ছি ! মন্দিরের গায়ে সুক্ষ কাজ চোখ ধাধিয়ে দিচ্ছে… এক যায়গায় দেখলাম নীল পাথরের কাজ করা ।

দূরে নিরিবিলিতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বসে প্রার্থনা করছে – পরনে গেরুয়া বস্ত্র ।
আশে – পাশে কোথায় কি হচ্ছে তার দিকে ওদের কোন ভ্রুক্ষেপই নেই !

আর এইসব ছোট ছোট বৌদ্ধ বিহার গুলোর মাঝে মাঝে আছে সুন্দর ফুলের বাগান । সেখানে একবার বসে পরলে আর উঠতে ইচ্ছে করবে না !

শেয়ার দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো
© All rights reserved © 2019 bibartanonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazarbibart251
error: Content is protected !!