1. pragrasree.sraman@gmail.com : ভিকখু প্রজ্ঞাশ্রী : ভিকখু প্রজ্ঞাশ্রী
  2. avijitcse12@gmail.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
রবিবার, ০৭ মার্চ ২০২১, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চট্রগ্রামে ধাতু প্রদর্শনীসহ সংঘদান ও জ্ঞাতিভোজ ১০ মার্চ রেণুপ্রভা-প্রিয়রঞ্জন ফাউন্ডেশনের’র সংঘদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান কর্মজ্যোতি জিনানন্দ মহাথের’র জাতীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান পরলোকে সবিতা রানী বড়ুয়া কর্মজ্যোতি জিনানন্দ মহাথের’র অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শুরু মুন্সিগঞ্জে ১১শ বছরের পুরোনো বৌদ্ধ কুঠুরি আবিষ্কার রামুর ভুবন শান্তি ১০০ ফুট দীর্ঘ সিংহ শয্যা গৌতম বুদ্ধমূর্তি পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মহাসংঘনায়ক বিশুদ্ধানন্দ মহাথেরো’র ২৭তম মহাপ্রয়াণ দিবস ভারতে একই মঠে ১০০ বৌদ্ধ ভিক্ষু করোনায় সংক্রমিত! ধর্মীয় শিক্ষা পাহাড়ে খুনোখুনি থামাতে পারে: দীপংকর তালুকদার

রামুর বৌদ্ধ মন্দির সড়কের বেহাল দশা

প্রতিবেদক
  • সময় বুধবার, ২৩ মে, ২০১৮
  • ৩৩৬ পঠিত

দর্পণ বড়ুুুয়া: কক্সবাজারের রামু উপজেলা বৌদ্ধ পূরার্কীতি ও প্রত্নতাত্মিক নির্দশনের জন্য সারাদেশে বিখ্যাত। এসব পুরার্কীতির মধ্যে পাঁচটি প্রধান বৌদ্ধ বিহার হল, উসাইচেন রাখাইন বৌদ্ধ বিহার (বড় ক্যাং), মংরী তাজং (লাল চিং), সামোচিং (সাদাচিং), শ্রীকুল মৈত্রী বিহার, উংনা ফাক ক্যাং (শ্রীকুল রাখাইন বিহার) চৌমুহনী বাসস্টেশন থেকে চেরাংঘাটা তথা বৌদ্ধ মন্দির সড়কে অবস্থিত। সারা বছর পূরার্কীতিগুলো দেখার জন্য দেশী-বিদেশী পর্যটকেরা এ সড়কে চলাচল করেন। কিন্তু সড়কটির দূরাবস্থার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে পর্যটকদের।

সড়ক ভেঙে বড় গর্তে পানি জমে থাকায় দুর্ঘটনাও ঘটছে। বৌদ্ধ মন্দির সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, প্রায় এক বছর ধরে বেহাল অবস্থা হলেও সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেই। ফলে দুর-দুরান্ত থেকে বৌদ্ধ বিহার দেখতে আসা পর্যটকসহ চলাচলে স্থানীয়দের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

২০১৭ সালের বন্যায় সড়কটির এমন দুরাবস্থা হয়। স্থানীয়রা বলছেন, বর্ষার আগে সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু না হলে দুর্ভোগ আরো বাড়বে।

সরেজমিনে দেখা যায়, চৌমুহনী থেকে চেরাংঘাটা পর্যন্ত সড়কটির দৈর্ঘ্য মাত্র এক কিলোমিটার। এরমধ্যে তেলীপাড়া সেতু থেকে চেরাংঘাটা পর্যন্ত আধা কিলোমিটারের মধ্যে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

রামু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষক মাস্টার মংহ্ল্প্রু পিন্টু জানান, বৌদ্ধ মন্দির সড়কটি শুধুমাত্র পূরার্কীতির জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়, জেলার অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ চাতোপা জাদী, জেলার সবচেয়ে বড় ফকিরা বাজার, বাঁশ বাজার এবং পার্বত্য উপজেলা নাইক্ষ্যংছড়ি ও রামুর পূর্বাঞ্চল গর্জনিয়া কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের সাথে যোগাযোগের প্রধান সড়ক এটি। গুরুত্ব বিবেচনা করে সড়কটির দ্রুত সংস্কার জরুরি।

রামু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম জানান, এটি উপজেলার সবচে জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক। গতবছর বন্যার কারণে সড়কের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিছু অংশ কার্পেটিং থেকে আরসিসি করা হয়েছে। বাকি ক্ষতিগ্রস্ত আধা কিলোমিটারও আরসিসি সড়ক করার পরিকল্পনা চলছে।

শেয়ার দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো
© All rights reserved © 2019 bibartanonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazarbibart251
error: Content is protected !!