1. pragrasree.sraman@gmail.com : ভিকখু প্রজ্ঞাশ্রী : ভিকখু প্রজ্ঞাশ্রী
  2. avijitcse12@gmail.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ০২:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আয়ারল্যান্ড থেকে ডেভিড বড়ুয়া’র পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন অগ্নিকাণ্ডের পুড়ে যাওয়া পরিবারের মাঝে মারমা ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের আর্থিক অনুদান ধম্মকথা’ বৌদ্ধ অনলাইন মুখপত্র এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ রাউজানে বিদর্শনসাধক লোকানন্দ ভিক্ষুর থের বরণ অনুষ্ঠান ভদন্ত বুদ্ধপ্রিয় মহাথের সকাশে বৃহত্তর হোয়ারপাড়া বৌদ্ধ কল্যাণ সমিতি নেতৃবৃন্দ উত্তবঙ্গের আদিবাসীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ ভদন্ত জ্যোতিমিত্র স্থবিরের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন ঢাকায় বৌদ্ধদের জন্য সার্বজনীন শ্মশান নির্মাণের সিদ্ধান্ত হাটহাজারীর জোবরা গ্রামে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় পরলোকে ভদন্ত জ্যোতিমিত্র স্থবির

শহরের মাটি খুঁড়েই পাওয়া গেল হাজার বছরের হারানো মন্দিরের সন্ধান

প্রতিবেদক
  • সময় বুধবার, ১৬ মে, ২০১৮
  • ৮৭৩ পঠিত

যে কোনও ধর্মস্থানের মতো এই বৌদ্ধ মন্দির নিয়েও রয়েছে বেশ কিছু গল্পগাছা। কথিত, একবার খরার কবল থেকে বাঁচার জন্য এই মন্দিরের সামনে পূজার্চনা করেন গ্রামবাসীরা।
চিনের সেচুয়ান প্রদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের একটি শহর চেংদু। সম্প্রতি সেখানেই মাটি খুঁড়ে হদিশ পাওয়া গিয়েছে ১০০০ বছর আগের এক বৌদ্ধ মন্দিরের।

ইতিহাসের পাতা ওলটালে দেখা যায় যে, চিনে বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তন ঘটে প্রথম শতাব্দীতেই, যখন সেখানে রাজত্ব করছে হান রাজবংশ। বৌদ্ধ ভিক্ষুরা চিন পৌঁছন তৎকালীন রেশম পথ ধরেই।

চেংদুর সদ্য আবিষ্কৃত বৌদ্ধ মন্দিরটির নাম ‘ফুগান’, যার অর্থ ‘আশীর্বাদকে অনুভব করা’। যে কোনও ধর্মস্থানের মতো এই বৌদ্ধ মন্দির নিয়েও রয়েছে বেশ কিছু গল্পগাছা। কথিত, একবার খরার কবল থেকে বাঁচার জন্য এই মন্দিরের সামনে পূজার্চনা করেন গ্রামবাসীরা। প্রাকৃতিক কারণেই হোক বা দেবতার আশীর্বাদ, সেদিন বর্ষার জলে স্নাত হয় প্রকৃতি। এর পরেই মন্দিরের নামকরণ করা হয়।

• রূপোর পাতে মোড়া দ্রাসের ধর্মস্থানটি

• হাজার বছরের পুরনো শহর মাটির নীচে, সাক্ষী এক প্রাচীন মন্দির

এই গল্প লিখেছিলেন চিনের তাং সাম্রাজ্যের এক সাধক, নাম ডাওজুয়ান। ওই সাম্রাজ্যের এক কবির লেখায় জানা গিয়েছে মন্দিরের অসাধারণ সৌন্দর্য সম্পর্কে।

খননকার্যে প্রত্নতত্ত্ববিদরা উদ্ধার করেছেন এক হাজারেরও বেশি ‘ট্যাবলেট’, যাতে বৌদ্ধশাস্ত্র খোদাই করা। পাওয়া গিয়েছে ৫০০রও বেশি পাথর ও গ্লেজড টাইলের মূর্তি। মন্দির চত্বরের আশেপাশে প্রায় ৮০টি সমাধিও পাওয়া যায়।

ফুগান মন্দিরের আশেপাশে যে জনবসতি ছিল, তার প্রমাণস্বরূপ পাওয়া গিয়েছে বাড়ি-ঘর, কুয়ো, রাস্তার ভগ্নাংশ। নিত্যদিনের কাজে ব্যবহার করার নানা সামগ্রী এবং বাসনপত্রও উদ্ধার হয়েছে খননকার্য থেকে।

কিন্তু, এত কিছু পাওয়ার পরেও, প্রত্নতত্ত্ব দলের প্রধান ওয়াই লি জানিয়েছেন যে, এখনও বেশিরভাগ অঞ্চলের খননই বাকি রয়েছে। কাজ সম্পূর্ণ হলে, সে দেশে বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার সম্পর্কে আরও অনেক নতুন তথ্য জানা যাবে বলে আশা করছেন সকলে।

শেয়ার দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো
© All rights reserved © 2019 bibartanonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazarbibart251