1. pragrasree.sraman@gmail.com : ভিকখু প্রজ্ঞাশ্রী : ভিকখু প্রজ্ঞাশ্রী
  2. avijitcse12@gmail.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন

রামুতে আবারো ফেসবুকে আজগুবি পোস্ট দিয়ে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টির প্রয়াস

প্রতিবেদক
  • সময় বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮
  • ১৭২৩ পঠিত

রামুতে আবারো ফেসবুকে আজগুবি পোস্ট দিয়ে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টির প্রয়াস, আটক ১

বিবর্তন ডেস্ক: ফেসবুকে পবিত্র কোরআন অবমাননার আজগুবি স্ট্যাটাস পোস্ট করার ঘটনায় কক্সবাজারের রামুতে আবারো তোলপাড় চলছে। এ ঘটনায় পুলিশ চট্টগ্রাম শহর থেকে এক ব্যক্তিকে  বুধবার সকালে আটক করেছেন।

আটক হওয়া ব্যক্তির নাম আফাজ খান। তিনি চট্টগ্রাম শহরের নুর আহমদ সড়কের বাসিন্দা এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত। চট্টগ্রামের শংখ মার্কা সরিষার তেল মিলের মালিকও তিনি।

এ বিষয়ে চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানার ওসি মোঃ জসিম উদ্দীন জানান, বুধবার আফাজ খানকে আটক করা হয়। তিনি আমাদের কাছে স্বীকার করেছেন, তার ফেসবুক আইডি থেকে স্ট্যাটাসটি বিভিন্ন জনকে পোস্ট করেছেন। আটক ব্যক্তিকে চট্টগ্রাম ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রুহুল কুদ্দুস তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চট্টগ্রাম গেছেন।

ওসি আরো জানান, আটক হওয়া আফাজ খানের আইডিতে রামুর জনৈক বাবলা স্ট্যাটাসটি পাঠিয়েছেন। স্ট্যাটাসে লেখা রয়েছে ‘রামুর জয়া বড়ুয়া পবিত্র কোরআনের উপর পা দিয়েছে।

তার শাস্তি চাই। আপনি মুসলিম হলে এটি ১০ জনকে পাঠান’। ওসি জসিম আটক ব্যক্তিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে জানান, আসলে ভদ্রলোক কোন খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে এরকম স্ট্যাটাস দিয়েছে বলে মনে হয়নি। তিন হয়তোবা সরল মনেই এরকম দিয়ে থাকতে পারেন। তবে তদন্তেই সব বেরিয়ে আসবে।

গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ফেসবুকের আকস্মিক এমন একটি স্ট্যাটাস নিয়ে কক্সবাজারে নামানো হয় বিজিবি, র‍্যাব ও পুলিশ। ফেসবুক স্ট্যাটাসের গুজব নিয়ে যাতে কোন মহল সুযোগ নিতে না পারে সেজন্য রামু ও কক্সবাজার শহরে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি সংস্থার সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নেয়। রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের ভদন্ত প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু জানান, রামু বৌদ্ধ পল্লীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন বিষয়টি নিয়ে বুধবার সংবাদ মাধ্যমকে জানান, মঙ্গলবার মধ্যরাতের পর খবর পাই যে, রামুতে গত ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বৌদ্ধ মন্দিরে আগুন লাগানোর ঘটনাটি যেভাবে উৎপত্তি হয়েছিল অনুরুপ একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস ছেড়ে দেয়া হয়েছে। একারণে সাথে সাথেই বিজিবি, র‍্যাব ও পুলিশ টহলের ব্যবস্থা করি, যাতে রামুর সেই ঘটনার কোন পুনরাবৃত্তি না ঘটে। তিনি জানান, একুশের মত এরকম বিশেষ দিনকে টার্গেট করেই মহল বিশেষ তাদের স্বার্থসিদ্ধির সুযোগ নিয়ে থাকে।

এ প্রসঙ্গে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহজাহান আলী সংবাদমাধ্যমকে বলেন ‘২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে একযোগে রামুর ১৭টি বৌদ্ধ মন্দিরে হামলা চালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনাটিও ঘটেছিল রামুর উত্তম বড়ুয়া নামের একজন বৌদ্ধ যুবকের এরকমই একটি স্ট্যাটাস নিয়ে।

শেয়ার দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো
© All rights reserved © 2019 bibartanonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazarbibart251