1. pragrasree.sraman@gmail.com : ভিকখু প্রজ্ঞাশ্রী : ভিকখু প্রজ্ঞাশ্রী
  2. avijitcse12@gmail.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ধর্মীয় শিক্ষা পাহাড়ে খুনোখুনি থামাতে পারে: দীপংকর তালুকদার সংঘনানগরীর কাতালগঞ্জ নবপন্ডিত বিহারে সংঘনায়ক ও উপ-সংঘনায়ক বরণ কর্মজ্যোতি জিনানন্দ মহাথের’র অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আগামী ৪ ও ৫মার্চ দ্বাদশ সংঘরাজ ড.ধর্মসেন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন মহামান্য সংঘরাজ ও এক মহাজীবন দ্বাদশ সংঘরাজ ড.ধর্মসেন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শুরু সংঘরাজ ড. ধর্মসেন মহাথেরো : জ্ঞান বাতিঘর, এক মহাজীবন কাব্যের প্রস্থান সংঘরাজ ড. ধর্মসেন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী পটিয়ায় দ্বাদশ সংঘরাজ ড.ধর্মসেন মহাথেরোর অন্তোষ্টিক্রিয়া আগামীকাল শুরু চট্টগ্রাম মহানগর বাংলাদেশ বুডিস্ট গ্রুপ সংগঠনের শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ

ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার

প্রতিবেদক
  • সময় সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮
  • ১৭০৮ পঠিত

ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার নওগাঁর অন্যতম বিখ্যাত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার। পালবংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে তৈরি করেছিলেন এটি, যা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার নামেও পরিচিত।
বর্তমানে এটি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার বাদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত। ইংরেজ প্রত্নতত্ত্ববিদ ও মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম ১৮৭৯ খিস্ট্রাব্দে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার আবিষ্কার করেন। তখন পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমানে বগুড়ার মহাস্থানগড়)এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান ভারতের বানগড়)-এর মাঝামাঝিতে অবস্থিত ছিল এই বিশালকায় স্থাপনা। ১৯৮৫ সালে এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয় ইউনেস্কো।

বৌদ্ধ বিহারটি চার কোনা। এর চারদিক চওড়া সীমানা দেয়াল দিয়ে ঘেরা ছিল। সীমানা দেয়াল বরাবর অভ্যন্তর ভাগে সারিবদ্ধ ছিল ছোট ছোট কক্ষ । উত্তর দিকের বাহুতে ৪৫টি এবং অন্য তিন দিকের বাহুতে রয়েছে ৪৪টি করে কক্ষ। এই কক্ষগুলোতে তিনটি মেঝে আবিষ্কৃত হয়েছে। প্রতিটি মেঝে বিছানো ইটের ওপর পুরু সুরকি দিয়ে অত্যন্ত মজবুতভাবে তৈরি করা হয়েছিলো। সর্বশেষ যুগে ৯২টি কক্ষে মেঝের ওপর বিভিন্ন আকারের বেদী নির্মাণ করা হয়। এ থেকে অনুমান করা যায় যে, প্রথম যুগে সবগুলো কক্ষই ভিক্ষুদের আবাসকক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও পরবর্তীকালে অনেক কক্ষই প্রার্থনাকক্ষে রুপান্তরিত করা হয়েছিলো।

উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিম বাহুতে সিঁড়ির ব্যবস্থা ছিলো। এদের মাঝে কেবল পশ্চিম বাহুর সিঁড়ির চিহ্ন আছে। উত্তর বাহুর প্রবেশ পথের সামনে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত একটি পুকুর ছিল। ১৯৮৪-৮৫ সালের খননে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী প্রথম নির্মাণ যুগের পরবর্তী আমলে এ পুকুর খনন করা হয় এবং এসময় এ অংশের সিঁড়িটি ধ্বংস করে দেয়া হয়। পরবর্তীকালে পুকুরটি ভরাট করে দেয়া হয়। এর এক পাশে রয়েছে জাদুঘর, যেখানে রয়েছে বিভিন্ন ধাতু নির্মিত মূর্তি এবং আসবাবপত্র। এখানে রয়েছে হেলিকপ্টার নামার জন্য বিশেষ হেলিপ্যাড।

কীভাবে যাবেন: দেশের যে কোনো স্থান থেকেই সড়কপথে পাহাড়পুর যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে দূরত্ব ২৮০ কিলোমিটার। ঢাকার মহাখালী ও গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে বাসযোগে এবং রেলপথে নওগাঁ নেমে বাসে সরাসরি পাহাড়পুর এ যাওয়া যায়।

কোথায় থাকবেন: নওগাঁ শহরে থাকার জন্য বিভিন্ন রকম আবাসিক ও অনাবাসিক হোটেল রয়েছে। ইচ্ছে করলে আপনি অল্প খরচে রাতযাপন করতে পারেন।

কখন খোলা থাকেঃ পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার শীতকালীন সময়সূচী অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। রোববার পূর্ণ দিবস, সোমবার অর্ধ এবং অন্যান্য ছুটির দিনে বন্ধ থাকে।

 

শেয়ার দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো
© All rights reserved © 2019 bibartanonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazarbibart251
error: Content is protected !!