1. pragrasree.sraman@gmail.com : ভিকখু প্রজ্ঞাশ্রী : ভিকখু প্রজ্ঞাশ্রী
  2. avijitcse12@gmail.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ০২:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ধম্মকথা’ বৌদ্ধ অনলাইন মুখপত্র এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ রাউজানে বিদর্শনসাধক লোকানন্দ ভিক্ষুর থের বরণ অনুষ্ঠান ভদন্ত বুদ্ধপ্রিয় মহাথের সকাশে বৃহত্তর হোয়ারপাড়া বৌদ্ধ কল্যাণ সমিতি নেতৃবৃন্দ উত্তবঙ্গের আদিবাসীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ ভদন্ত জ্যোতিমিত্র স্থবিরের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন ঢাকায় বৌদ্ধদের জন্য সার্বজনীন শ্মশান নির্মাণের সিদ্ধান্ত হাটহাজারীর জোবরা গ্রামে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় পরলোকে ভদন্ত জ্যোতিমিত্র স্থবির উখিয়ার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “অগ্রযাত্রা কল্যাণ পরিষদ”র কমিটি গঠন মারমা ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন এর রাঙ্গামাটি জেলা  শাখা গঠন

উখিয়ায় সহিংসতার সেই বিভীষিকাময় রাত ৩০ সেপ্টেম্বর

প্রতিবেদক
  • সময় শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • ৩১৮ পঠিত

সেদিন ছিল ২০১২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর। রাত তখন প্রায় ৮টা। হঠাৎ দেখি , ইসলামিক স্লোগান নিয়ে একটি মিছিল দীপাঙ্কুর বৌদ্ধ বিহারের সামনের রাস্তা দিয়ে বিহারের দিকেই অাসছে। তখন শুরু করে দিল বিহারের ভেতরে পাথর, ইটপাটকেল ছুড়ে মারতে। সেই মূহুর্তে কান দিয়ে শব্দ শুনা ছাড়া অার কোন পরিস্থিতি ছিল না অামাদের। সময় যতই গড়াচ্ছে পরিস্থিতি ততই খারাপের দিকে যাচ্ছে। অনেকক্ষণ পর তারা চলে গেল। এরই মধ্যে পুড়ে যায় পূর্ণিমার অালোয় ঝলসানো ধর্মান্ধ মানুষের বিবেকের দহনে উখিয়ার হাজার বছরের সম্প্রীতি ও পুরাকীর্তি, বৌদ্ধ বিহার সহ শতাধিক বসত বাড়ি। সেই সাথে পুড়ে ছাই হয় উখিয়ার মানুষের হাজার বছরের সম্প্রীতির বন্ধন।

বলা যায়, হ্যা- আমরা ফিরে পেয়েছি ইট-কংক্রিট, রট আর মানসম্মত সরঞ্জমাদি দিয়ে তৈরি করা বড় বড় উচু বৌদ্ধ বিহার। যা বর্তমানে রামু-উখিয়াতে অপরুপ সৌন্দর্যে ঘেরা এক ধরনের পর্যটন নগরীতে পরিনত হয়েছে। কিন্তু তা দিয়ে কি তৃপ্তি মেটাবে আমাদের সেই সহিংসতার আগুনে পুড়ে যাওয়া ঐতিহ্যের? প্রতিনিয়ত এই প্রশ্নের উত্তর খুজে নিরবে মায়াকান্না করেই যাচ্ছে রামু-উখিয়ার বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরুরা।

এরই ধারাবাহিকতায় বলার অাছে যে, সংখ্যালঘুরা পরাধীন বাংলাদেশে কোনো না কোনোভাবে তারা টিকে থাকলেও স্বাধীন বাংলায় পারছেন না কেন? এখনও পাকিস্তানি কায়দায় তাদের ঘরবাড়ি পোড়ে কেন? পূজার থালায় রক্তের আলপনা ঝরে, উপাসনালয় পোড়ে, কেন? তাদের ভূমি ও নারী লুটপাট হয়। এরপরও আমরা বিবেকের সঙ্গে আপোস করে বলি: ‘‘আমরা খুব ভালো আছি।’’ এমন কথা বলছি আন্তর্জাতিক সভা, সেমিনার কিংবা কোন বড় সম্মেলনেও। কারন আমরা গৌতম বুদ্ধের দেয়া শান্তির পতাকা নিয়ে বসবাস করি।

ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক অনেক মানুষের মতে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ক্ষমতায় আছে বলে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন, সহিংসতা, লুটপাট ও ভূমিদস্যুতা তুলনামূলকভাবে কম হচ্ছে। এ কথা অস্বীকার করার জো নেই। তবে এই নিয়ে যুক্তি দাঁড় করিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভোগারও অবকাশ নেই। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে আমরা ন্যায্য অধিকার নিয়ে সবার সঙ্গে মিলেমিশে বাঁচতে চাই। সাম্প্রদায়িক শক্তি কখনও কোনো কালে কোনো জাতি বা রাষ্ট্রের ভালো করেনি। তবে অবনত মস্তকে সকৃতজ্ঞ চিত্তে এও স্বীকার করছি যে, হামলাকারীরা বাদে দেশের সর্বস্তরের মানুষ জাতি, ধর্ম, দলমতনির্বিশেষে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। শোকার্তদের শান্ত্বনা দিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা কি আদৌ সেই শান্ত্বনা নির্দিদায় গ্রহন তথা মেনে নিতে পেরেছি?

শেয়ার দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো
© All rights reserved © 2019 bibartanonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazarbibart251