1. pragrasree.sraman@gmail.com : ভিকখু প্রজ্ঞাশ্রী : ভিকখু প্রজ্ঞাশ্রী
  2. avijitcse12@gmail.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কুয়াকাটায় মন্দিরের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা, রাখাইনদের মানববন্ধন অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন নিলেন দালাইলামা   চট্টগ্রামের  প্রচেষ্টা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নতুন কমিটি গঠন চট্রগ্রামে ধাতু প্রদর্শনীসহ সংঘদান ও জ্ঞাতিভোজ ১০ মার্চ রেণুপ্রভা-প্রিয়রঞ্জন ফাউন্ডেশনের’র সংঘদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান কর্মজ্যোতি জিনানন্দ মহাথের’র জাতীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান পরলোকে সবিতা রানী বড়ুয়া কর্মজ্যোতি জিনানন্দ মহাথের’র অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শুরু মুন্সিগঞ্জে ১১শ বছরের পুরোনো বৌদ্ধ কুঠুরি আবিষ্কার রামুর ভুবন শান্তি ১০০ ফুট দীর্ঘ সিংহ শয্যা গৌতম বুদ্ধমূর্তি পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত

চীনের আশ্চর্য মেইথজিসান কেইভ মন্দির

প্রতিবেদক
  • সময় শুক্রবার, ১৭ মার্চ, ২০১৭
  • ১০০১ পঠিত

বিবর্তন ডেক্স:

চীনের উত্তর পশ্চিমে গানসু প্রদেশে বিখ্যাত সিল্ক রোডের কাছে একটি বৌদ্ধ মন্দির রয়েছে। মন্দিরটি মেইথজিসান কেইভ নামে পরিচিত। মন্দিরটি পাহাড়ের গুহায় অবস্থিত।

তিয়ানশুই শহরের মেইথজিসার পাহাড়ের গায়ে ১৯৪টি গুহা তৈরি করে এই বুদ্ধ কমপ্লেক্সটি নির্মাণ করা হয়। এখানে রয়েছে ৭২০০টি বুদ্ধ মূর্তি। আর ১০০০ মিটার দেয়াল জুড়ে রয়েছে নানারকম দেয়ালচিত্র।

এই গুহামন্দিরটি খুব একটা পরিচিত নয়। কম লোকই জানে এ বিষয়ে। বুদ্ধ ধর্ম যাজকরা এখানে বাস করতে পছন্দ করেন। নীরবে ঈশ্বরের প্রার্থনা করেন, তপস্যা করেন।
এই সম্পর্কে ইতিহাসে খুব একটা তথ্য পাওয়া যায় না। কারা এটা নির্মাণ করেছিলেন, কোন যুগে, কখন এটি নির্মাণ হয়, তার সম্পর্কেও বিস্তারিত ধারণা পাওয়া যায় না খুব একটা। তবে এখান থেকে উদ্ধার করা সামগ্রী, পেইন্টিংস ও ক্যালিওগ্রাফি থেকে ধারণা করা হয় চতুর্থ শতাব্দী থেকে এখানে বুদ্ধ ধর্মগুরুরা নীরবে ধর্মচর্চা করার জন্য এই স্থানটিকে বেছে নেয়।

১৯৫৩-৫৪ সালে বেইজিংয়ের প্রত্নতাত্ত্বিকরা এটিকে আবিষ্কার করে। এখানে তাংহোঙ্গা ও হুয়ানগাঙ্গ নামক দুই ধর্ম যাজকের আত্মজীবনী পাওয়া গেছে। গুহার ভেতরের সবচেয়ে বড় বুদ্ধ মূর্তির উচ্চতা ১৬ ফুটেরও বেশি। আর বাইরের মূর্তিগুলোর উচ্চতা প্রায় ৫০ ফুটের মতো।

মুর্তিগুলোর কাছে যাবার পাহাড়ের গা ঘেষে ঘোরানো সিড়িগুলো আগে কাঠের ছিল, পরে নিরাপত্তার জন্য ওগুলোতে ধাতব সাপোর্ট দেয়া হয়। বৌদ্ধ সন্যাসীরা অনেকেই সেখানে এখনো থাকেন, ধর্মচর্চা করেন।

শেয়ার দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো
© All rights reserved © 2019 bibartanonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazarbibart251
error: Content is protected !!