1. pragrasree.sraman@gmail.com : ভিকখু প্রজ্ঞাশ্রী : ভিকখু প্রজ্ঞাশ্রী
  2. avijitcse12@gmail.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০১:১৪ অপরাহ্ন

মহান ধুতাঙ্গ সাধক,  ভদন্ত 'শরণংকর থেরো' মহোদয়  পটিয়ার ভান্ডারগাঁও গ্রামে সদ্ধর্মদেশনানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

প্রতিবেদক
  • সময় শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭
  • ৫৩৪ পঠিত

আলোকিত সাংঘিক ব্যক্তিত্ব, অরণ্যচারী, প্রজ্ঞাবান, ধুতাঙ্গ সাধক পরম পূজনীয় ভদন্ত শরণংকর থের মহোদয় চট্রগ্রাম শহরস্থ রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ড ময়দানে ৬ষ্ট তম বর্ষপূরণ ও একক সদ্ধর্মদেশনা প্রদান করে জ্ঞানশরণ মহাঅরণ্যে পুনরায় পদব্রজে ফেরার পথে গত ৩০ জানুয়ারি সোমবার পটিয়ার ভান্ডারগাঁও গ্রামে সদ্ধর্মদেশনানুষ্ঠান ভান্ডারগাঁও তিরতন বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত জ্ঞানরক্ষিত মহাস্হবির এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই মঙ্গলাচরণ করেন শ্রীমৎ প্রিয়পাল শ্রামণ এবং সংগঠক মৃনাল কান্তি বড়ুয়া’র সঞ্চালনায় সদ্ধর্মদেশনানুষ্ঠানে পূজনীয় ভিক্ষুসংঘকে পুস্প দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন বিহার কমিটি’র সাধারণ সম্পাদক কীর্তনিয়া অক্ষয় বড়ুয়া,ভাস্কর্য শিল্পী ইন্দ্রসেন বড়ুয়া,ডাঃ বিধান চন্দ্র বড়ুয়া, স্বপন বড়ুয়া ও ধুতাঙ্গ সাধক পরম পূজনীয় ভদন্ত শরণংকর থের মহোদয়কে গ্রামবাসীর পক্ষ হতে ক্রেষ্ট দিয়ে সম্মাননা জ্ঞাপন করেন প্রবীণ উপাসক হরিমোহন চৌধুরী,জ্ঞানরঞ্জন বড়ুয়া ও স্মুতি ডিজিটাল এর স্বত্বাধিকারী তরুন সদ্ধর্ম সেবক অাকাশ বড়ুয়া বাবুন। পূজনীয় ভদন্ত শরণংকর থের মহোদয়কে ভান্ডারগাঁও তিরতন বিহার কমিটি ও ভান্ডারগাঁও নবশক্তি পক্ষ হতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন প্রবাত বড়ুয়া,কনক বড়ুয়া ও নবশক্তি সংঘের পক্ষে দোলন বড়ুয়া ও সবুজ বড়ুয়া। পঞ্জশীল প্রার্থনা করে শিক্ষক মিহির রঞ্জন বড়ুয়া। এছাড়াও ধুতাঙ্গ সাধক পরম পূজনীয় ভদন্ত শরণংকর থের মহোদয়কে কানাডা প্রবাসী মিঃ তেমিয় বড়ুয়া জিলু’র প্রকাশনায় ভান্তের ছবিযুক্ত ক্ষুদ্র পকেট ক্যালেন্ডার ও ইপিজেড এর পক্ষে পূজনীয় ভান্তে ও শিষ্যদের জন্য পায়ের সেন্ডাল প্রদান করেন দোলন বড়ুয়া।অষ্ট পরিস্কার দান করেন স্মুতি ডিজিটাল এর স্বত্বাধিকারী তরুন সদ্ধর্ম সেবক অাকাশ বড়ুয়া বাবুন ।সদ্ধর্মদেশনায় ধুতাঙ্গ সাধক পরম পূজনীয় ভদন্ত শরণংকর থের মহোদয় বলেন, গ্রামে খুব অল্প সংখ্যক লোকজন বর্তমানে বসবাস করেন তাদের মধ্যে অধিক সংখ্যক হলো বয়স বৃদ্ধা। সেকারণে গ্রামে প্রায়ই ধর্মানুষ্ঠান এই বয়সবৃদ্ধদের দেখা যায় বেশী তাই প্রবীনের পাশাপাশি নবীনদেরও ধর্মানুশীলন করতে হবে বলে সবাইকে জ্ঞাত করেন এবং ধর্মানুশীলন করার সময়টা মূলত নবীন বয়সে। তিনি গ্রাম হতে শহরমূখীদের উদ্দেশে বলেন যারা গ্রাম ছেড়ে শহরকে উপযোগী জায়গা মনে করেন তাদের প্রতি ভান্তে বলেন, ধর্মানুশীলনের প্রকৃত স্হান হিসাবে গ্রামকে বিবেচনা রাখতে হবে। বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর হিসাবে সমাজবদ্ধ জীবনে ধার্মিক মানুষের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে তাই প্রতিনিয়ত শীল পালনসহ ধর্মাচরণ করতে হবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

শেয়ার দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো
© All rights reserved © 2019 bibartanonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazarbibart251